কেমন হত যদি ওই বৃষ্টির ফোঁটাগুলো আমি হতাম?
তুমি একটা করে ফোঁটা নিজের গায়ে মিশিয়ে নিয়ে,
অনুভব করতে আমায়।
তোমার ভেজা শরীরে আমি নিমগ্ন হয়ে থাকতাম।
প্রাণরসটুকু শুষব বলে।
তুমি বাড়ি ফিরে স্নান করতে না তো?
আমায় ধুয়ে ফেলবে বলে!
যতটুকু গভীরতা তোমার শরীরে মানায়,
তার চেয়ে বেশী হয়ে য়াওয়া আমি
উপচে পড়ে
বয়ে যেতাম
সেই রাস্তা দিয়ে,
যেখানে আরও কত বৃষ্টির ফোঁটা জড়ো হয়ে আছে।
কেমন হত যদি ওই বৃষ্টির ফোঁটাগুলো আমি হতাম?
তোমার বৃষ্টিস্নাত শরীর থেকে আলাদা করতে পারতে না আমায়।
চারদিকের কয়েকটা আধভেজা শরীরের থেকে বেশী ভিজে থাকা তুমি,
নিজেকে আয়নায় দেখতে।
লোকচক্ষুর অন্তরালে।
আমার থেকে আমার শরীরের ছায়াটা আরও প্রলম্বিত হত
জোনাকি পোকার মিটমিটে আলোয়।
আমার শহরে আজ আর বৃষ্টি হয়না।
কি-ই বা হবে বৃষ্টি হয়ে?
ফণিমনসার তো জল লাগে না।
Saturday, June 11, 2011
Saturday, June 4, 2011
যুদ্ধ শেষ
"সাগর পাড়ে ঢেউয়ের খেলা,মাঝখান তার শান্ত
বৃষ্টি যতই হোক না কেন, অতীত আমার ক্লান্ত"।
এই লাইনদুটো পত্রিকার এডিটর এর পছন্দ হবে?
তবে এর চাইতে ভালো কিছু লেখার ক্ষমতা আমার নেই।
ইচ্ছেও নেই।
কিছুকাল আগে আমি সবুজ কবিতা লিখতাম,
লিখতাম প্রাণের কবিতা, হয়তো বা মিথ্যা কবিতা।
এখনও কবিতা লিখি-
ধূসর রঙের।
খানিকটা শকুনপচা গন্ধ, খানিকটা জমাটবাঁধা কালো রক্ত,
খানিকটা ভোরের সোনাগাছির ক্লান্তি, খানিকটা যুদ্ধ শেষের বারুদের গন্ধ,
খানিকটা পচা শামুকে পা কাটার ভোগান্তি...
মিশে আছে আমার লেখায়।
যেগুলো কবিতা, বা কবিতা নয়।
আমার শোয়ার ঘরের আয়নাটার মাঝখানে
একটা চিড় ধরেছে।
আড়াআড়ি।
রোজ নিয়ম করে আয়নাটার সামনে দাঁড়াই,
আর 'খণ্ড আমি'-র চিত্র দেখি।
এখনও কবিতা লিখি-
ধূসর রঙের।
"সাগর পাড়ে ঢেউয়ের খেলা,মাঝখান তার শান্ত
বৃষ্টি যতই হোক না কেন, অতীত আমার ক্লান্ত"।
এই লাইনদুটো পত্রিকার এডিটর এর পছন্দ হবে?
তবে এর চাইতে ভালো কিছু লেখার ক্ষমতা আমার নেই।
ইচ্ছেও নেই।
কিছুকাল আগে আমি সবুজ কবিতা লিখতাম,
লিখতাম প্রাণের কবিতা, হয়তো বা মিথ্যা কবিতা।
এখনও কবিতা লিখি-
ধূসর রঙের।
খানিকটা শকুনপচা গন্ধ, খানিকটা জমাটবাঁধা কালো রক্ত,
খানিকটা ভোরের সোনাগাছির ক্লান্তি, খানিকটা যুদ্ধ শেষের বারুদের গন্ধ,
খানিকটা পচা শামুকে পা কাটার ভোগান্তি...
মিশে আছে আমার লেখায়।
যেগুলো কবিতা, বা কবিতা নয়।
আমার শোয়ার ঘরের আয়নাটার মাঝখানে
একটা চিড় ধরেছে।
আড়াআড়ি।
রোজ নিয়ম করে আয়নাটার সামনে দাঁড়াই,
আর 'খণ্ড আমি'-র চিত্র দেখি।
এখনও কবিতা লিখি-
ধূসর রঙের।
Friday, June 3, 2011
শীতঘুম
বরফের চাদরে মোড়া,
রোটাং পাসের রাস্তাটার কথা মনে আছে?
ভুলে গিয়ে,
আজ সব সাপেরা শীতঘুমে।
নিজেদের সাথে লড়াইয়ে তারা ক্লান্ত।
তবু, আরও খানিকটা খুঁড়ে নেওয়া যাক নিজেকে।
যদি কোনও স্বত্তা থেকে থাকে...
জীবিত বা মৃত...
আজ সব হারানোর পালা।
আমি চাঁদের কাছে গিয়ে ভিক্ষে চাইতে পারি,
চাইবো না।
মরুভূমির আর্তনাদ চলুক নিরন্তর...
শিশির পড়তে দেব না তার উপর।
কালো রাস্তায় কত আর্তনাদ মিশে যায়,
চুপিসারে হেসে সবাই বলে-
"দুনিয়ার আর্তনাদ এক হও"।
বরফের চাদরে মোড়া,
রোটাং পাসের রাস্তাটার কথা মনে আছে?
ভুলে গিয়ে,
আজ সব সাপেরা শীতঘুমে।
নিজেদের সাথে লড়াইয়ে তারা ক্লান্ত।
তবু, আরও খানিকটা খুঁড়ে নেওয়া যাক নিজেকে।
যদি কোনও স্বত্তা থেকে থাকে...
জীবিত বা মৃত...
আজ সব হারানোর পালা।
আমি চাঁদের কাছে গিয়ে ভিক্ষে চাইতে পারি,
চাইবো না।
মরুভূমির আর্তনাদ চলুক নিরন্তর...
শিশির পড়তে দেব না তার উপর।
কালো রাস্তায় কত আর্তনাদ মিশে যায়,
চুপিসারে হেসে সবাই বলে-
"দুনিয়ার আর্তনাদ এক হও"।
আঁ---তলামি
দুটো চোখের মাঝের এলাকাটায়,
অনেকগুলো মৃত শরীরের লাইন।
সবাই তাড়াহুড়ো করে,
কে কার আগে যাবে!
একটা নীল আকাশ যদি তার মাঝবরাবর যাওয়ার
জায়গা পেত,
তাহলে বুজে থাকত না-
চোখদুটো নিজেদের।
অনেকগুলো মৃত শরীরের লাইন,,,
লাইনের বেস্যাদের মৃত শরীরও বটে!!!
ধ্যুস শালা!
কেন যে লিখতে চাই?
আমি মালটা জালি।
পাতি রাতের প্রেমিক...
নিরঝরের মায়াময়তা তাই বিছানাতেই ভঙ্গ।
দুটো চোখের মাঝের এলাকাটায়,
অনেকগুলো মৃত শরীরের লাইন।
সবাই তাড়াহুড়ো করে,
কে কার আগে যাবে!
একটা নীল আকাশ যদি তার মাঝবরাবর যাওয়ার
জায়গা পেত,
তাহলে বুজে থাকত না-
চোখদুটো নিজেদের।
অনেকগুলো মৃত শরীরের লাইন,,,
লাইনের বেস্যাদের মৃত শরীরও বটে!!!
ধ্যুস শালা!
কেন যে লিখতে চাই?
আমি মালটা জালি।
পাতি রাতের প্রেমিক...
নিরঝরের মায়াময়তা তাই বিছানাতেই ভঙ্গ।
Subscribe to:
Posts (Atom)